6 Tips About প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা You Can't Afford To Miss in 2020 - Smart Shiksha

Smart Shiksha

Computer tips and tricks that help make you more productive and your overall computer experience a lot more enjoyable. Online computer help, linking you to are huge database with hundreds of different pages with technical information

Tuesday, December 24, 2019

6 Tips About প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা You Can't Afford To Miss in 2020

প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা কি


এটা কেন্দ্র সরকারের একটি যোজনা যার উদ্দেশ্য 2022 এর মধ্যে প্রত্যেকটা ব্যক্তির পাকা বাড়ি হবে. এখন আপনি যদি মনে করছেন যে আপনাকে সরকার বাড়ি বানিয়ে দেবে অথবা আপনার অ্যাকাউন্টে 5-7 লাখ টাকা দেবে যা দিয়ে আপনি বাড়ি বানাতে পারবেন তাহলে এটা আপনি একটু ভুল ভাবছেন. আসলে ব্যাপারটা ঠিক এরকম যে আপনি ব্যাংক থেকে একটি লোন পাবেন যে লোন এর পরিপ্রেক্ষিতে ব্যাংক আপনাকে একটি ইন্টারেস্ট চার্জ করবে. যার মোটামুটি ইন্টারেস্ট হবে 9 পারসেন্ট. তবে হ্যাঁ ব্যাংক আপনার থেকে যে ইন্টারেস্ট চার্জ করবে সেখান থেকে সরকার আপনাকে কিছু সাবসিডি দেবে, মানে সরকার কিছু ইন্টারেস্ট পে করবে. ইন্টারেস্ট এর পরিমাণ হবে 6.5 শতাংশ পর্যন্ত এবং বাকি 2.5 অথবা 3 শতাংশ ইন্টারেস্ট আপনাকে পে করতে হবে. তাই আজকে আমরা জানতে চলেছি প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার জন্য eligible হতে গেলে কি কি প্রয়োজনীয়তা আছে এবং এই আবাস যোজনার থেকে কী কী সুবিধা পেতে পারেন এবং প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা সুবিধা পাবার জন্য কিভাবে আবেদন করতে হবে.

pradhan mantri awas yojana




2015 সালে পহেলা জুন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা প্রবর্তন করেছিলেন. এই প্রকল্পটি ভারত সরকার দ্বারা একটি উদ্যোগ শহুরে দরিদ্রদের জন্য স্বাস্থ্য মূল্যের আবাসন তৈরীর ক্ষেত্রে সহায়তা করবে. মিশনটি ২০২২ সাল নাগাদ সকলের জন্য আবাসন সরবরাহ করা, মিশনটির প্রধান উদ্দেশ্য 2022 সালের মধ্যে প্রত্যেকটি শহরের দরিদ্র ব্যক্তিদেরকে তাদের নিজস্ব পাকা বাড়ি সরবরাহ করা কারণ এই সময়ের মধ্যে আমাদের দেশ 75 বছর স্বাধীনতা পূর্ণ করবে এবং মহাত্মা গান্ধীর 150 তম জন্মদিন পালিত হবে.

এই প্রকল্পের আওতায় ভারতের শহুরে দরিদ্র জনগোষ্ঠীর সুবিধার্থে পরিবেশ-বান্ধব নির্মাণ পদ্ধতি ব্যবহার করে নির্বাচিত শহর এবং শহরে সাশ্রয়ী মূল্যের ঘর তৈরি করা হবে। এছাড়াও তারা ক্রেডিট লিংক সাবসিডি স্কিমের আওতায় আসবে. প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার আওতাভুক্ত সুবিধাভোগীরা যদি বাড়ি কেনার জন্য বা নির্মাণ করার জন্য লোন নিয়ে থাকেন তবে তাঁরা সুদের ভর্তুকির জন্য উপযুক্ত হবেন।
pradhan mantri awas yojana




প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা এলিজিবিলিটি গুলো কি কি


এই স্কিমের আওতায় আপনি যদি আসতে চান তাহলে আপনাকে ছটা শর্ত  পূরণ করতে হবে.
1. আবেদনকারীর বয়স 21 থেকে 55 বছরের মধ্যে হতে হবে.

2. ইনকাম সার্টিফিকেট. আবেদনকারীর আয় বিষয়টিকে মোট চারটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে.
a. ইডাব্লুএস(Economical Weaker System) যে সমস্ত ব্যক্তি ইনকাম বছরে 3 লাখ টাকার কম তারা এই গ্রুপের মধ্যে পড়বে
b.এলআইজি(Lower Income Group)  যে সমস্ত ব্যক্তি ইনকাম 3 লাখ থেকে 6 লাখ টাকার মধ্যে তারা এই গ্রুপের মধ্যে পড়বে
c. MIG1(Middle Income Group 1)  যে সমস্ত ব্যক্তি ইনকাম 6 লাখ থেকে 12 লাখ টাকার মধ্যে তারা এই গ্রুপের মধ্যে পড়বে
d.MIG2 (Middle Income Group 2) যে সমস্ত ব্যক্তি ইনকাম 12 লাখ থেকে 18 লাখ টাকার মধ্যে তারা এই গ্রুপের মধ্যে পড়বে

যদি আপনি কোন সার্ভিস করে থাকেন এবং সেখান থেকে স্যালারি পেয়ে থাকেন তাহলে আপনাকে স্যালারি স্লিপ অ্যাড করতে হবে অ্যাপ্লিকেশন ফর্ম এর সাথে অথবা আপনি যদি কোন ব্যবসা করে থাকেন তাহলে আপনাকে ইনকাম প্রমাণ করার জন্য ইনকাম সার্টিফিকেট দেখাতে হবে.

3. যদি আপনার কাছে আগে থেকেই কোন পাকা বাড়ি থাকে তাহলে আপনি এই সুবিধা পাবেন না সুতরাং আপনি যদি এই সুবিধার আওতায় আসতে চান তাহলে অবশ্যই আগে থেকে আপনার কোন পাকা বাড়ি থাকলে হবে না.

4. আপনি যদি এর আগে কখনো সরকারি সুবিধায় কোন আবাস না পেয়ে থাকেন তবেই একমাত্র প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা সুবিধার অন্তর্ভুক্ত হতে পারবেন

5. আবেদনকারীর কাছে আধার কার্ড থাকা বাধ্যতামূলক তথা আপনার কাছে আপনার আধার কার্ড থাকতেই হবে যদি এই সুবিধার আওতায় আসতে চান


6. আপনি যদি এলআইজি অথবা ই ডাবলু এস ক্যাটাগরির মধ্যে পড়েন তথাপি আপনি কোন নতুন বাড়ি কিনতে চান সে ক্ষেত্রে বাড়ির মহিলাকে মালিকানা রূপে রাখতে হবে কিন্তু আপনি যদি এক্সট্রা রুম যেমন বাথরুম টয়লেট কিচেন এসব নির্মাণ করতে চান সে ক্ষেত্রে বাড়ির মহিলার মালিকানা না রাখলেও চলবে.

এবার আপনি যদি এই ছটা কন্ডিশন সঠিকভাবে পুরো করেন তাহলে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা প্রকল্পের বেনিফিট নিতে পারবেন



ই ডাবলু এস এবং এলআইজি ক্যাটাগরির আবেদনকারীরা ভর্তুকির পরিমাণ বেশি পাবেন এবং middle-income গ্রুপ অথবা এম আই জি ক্যাটাগরির আবেদনকারীরা তুলনামূলক ভর্তুকির পরিমাণ কম পাবেন. লোনের পরিমাণ শোধ করার সর্বোচ্চ সময়সীমা প্রত্যেকের জন্য কুড়ি বছর. বার্ষিক ইনকাম এবং জায়গার উপর নির্ভর করবে আপনি কত টাকা লোন পাবেন. ধরুন আপনার বার্ষিক ইনকাম 3 লাখ টাকা তাহলে আপনি লোনের পরিমাণ পাবেন 6 লাখ টাকা পর্যন্ত কিন্তু যদি আপনার বার্ষিক ইনকাম 12 লাখ থেকে 18 লাখ টাকা পর্যন্ত হয় তাহলে আপনি 12 লাখ টাকা পর্যন্ত লোন পেতে পারেন. তফসিলি উপজাতি এবং বর্ণগুলিও এর জন্য যোগ্য হবে।

সাম্প্রতিক ঘটনার উপর ভিত্তি করে 2016 সালের সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত ভারতের নগরবাসীর জনসংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ হারে বৃদ্ধি পেয়েছে এবং আসছে বছর গুলিতে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার আরো বেশি প্রত্যাশিত। অনুমান করে বলা হয় যে 2050 সালের মধ্যে শহুরে আবাসে জনসংখ্যা বেড়ে দাঁড়াতে পারে 800 মিলিয়ন বেশি। পূর্বাভাস দেওয়া গণনাটি ইতিমধ্যে শহরাঞ্চলে বসবাসরত সংখ্যার দ্বিগুণ। বড় ধরনের চ্যালেঞ্জগুলির মধ্যে হ'ল আবাসন বিকল্প রয়েছে যা লোকেরা সাশ্রয়ী হয় এবং টেকসই উন্নয়নের পাশাপাশি স্যানিটেশন-এর মতো অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সম্পর্কিত উদ্বেগকে অন্তর্ভুক্ত করে। শহর অঞ্চলের জনগণের জন্য একটি টেকসই এবং নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে মন্ত্রণালয়কে।

তপশিলি জাতি ও উপজাতি অর্থনৈতিকভাবে প্রতিবন্ধী গোষ্ঠী সংখ্যালঘু সম্প্রদায় লোকেদের জন্য এবং এবং তার পাশাপাশি মহিলারা যাতে এই সুবিধাটি পান তার দিকে বিশেষ নজর রাখা হয়েছে
সরকারের অন্যান্য লক্ষ্য বিধৃত, নিম্ন আয়ের গ্রুপের সদস্য, উভয়লিঙ্গ এবং এরপরে তাদের টেকসই এবং সাশ্রয়ী মূল্যের আবাসন প্রকল্পের সাথে জড়িত বেশিরভাগ উপেক্ষিত জনসংখ্যার সাথে সরাসরি জড়িত।
এই সমস্ত ক্যাটেগরি লোকেরা যাতে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা আওতায় আসে এবং এই সুবিধাটি পায় তার দিকে ও সরকার যথেষ্ট নজর রেখেছে তবে হ্যাঁ কিছু কিছু ক্ষেত্রে অনেক জায়গাতেই কিছু অসাধু ব্যক্তির জন্য এই প্রকল্পটি নিম্নগতিতে রয়েছে

সরকার পিএমএওয়াই উপকারভোগীদের তালিকা সনাক্ত এবং নির্বাচন করার জন্য ২০১১ সালের আর্থ সামাজিক ও জাতি শুমারিটি (এসইসিসি ২০১১) ব্যবহার করবে। গ্রামীণ আবাসন প্রকল্পের আওতায় তালিকা তৈরি করার আগে গ্রাম পঞ্চায়েত সুবিধাভোগীদের পরামর্শের জন্য বিবেচিত হবে বিষয়টি। প্রকল্পটি স্বচ্ছভাবে চলছে কিনা তা নিশ্চিত করতে এবং শুধুমাত্র যোগ্যরাই এই আবাসনের সহায়তা পাচ্ছেন কিনা তা নিশ্চিত করার জন্য এটি করা হচ্ছে।



প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা প্রকল্পটির আওতায় আসার জন্য কিভাবে আবেদন করা যাবে


এর জন্য আবেদন প্রক্রিয়া কে দুটো ভাগে বিভক্ত করা হয়েছে
আপনার মাসিক ইনকাম যদি 50000 টাকার কম হয় তাহলে আপনাকে অনলাইনে ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আবেদনপত্র সাবমিট করতে হবে এবং যদি আপনার মাসিক ইনকাম 50 হাজার টাকার বেশি হয় তাহলে আপনি সরাসরি যে কোন ব্যাংকে গিয়ে আবেদন করতে পারেন. অথবা আপনি আপনার কাছাকাছি কোন সিএসসি সেন্টারে গিয়েও আবেদন করতে পারেন এর জন্য আপনাকে একটা সামান্য ফিস দিতে হতে পারে

প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার জন্য অনলাইনে কিভাবে আবেদন করা যাবে

1. অনলাইনে আবেদন করার জন্য আপনাকে এই লিংকটিতে গুগোল এ সার্চ করতে হবে http://pmaymis.gov.in/
pradhan mantri awas yojana


2. citizen assessment সেকশন এর অন্তর্গত benefit under other 3components ক্লিক করুন. একটা নতুন ট্যাব ওপেন হবে যেখানে আপনাকে আপনার আধার কার্ড নাম্বার অথবা ভার্চুয়াল কার্ড নাম্বার দিতে হবে এবং তার সাথে আপনার নাম এন্টার করতে হবে. terms and condition checkbox এ টিক দিন এবং check এ ক্লিক করুন.
pradhan mantri awas yojana


3. পরবর্তী স্টেপে আপনাকে একটি ফর্ম দেওয়া হবে যেখানে আপনি আপনার জরুরী তথ্যগুলো ইনপুট করবেন. আপনার বর্তমান অ্যাড্রেস সহ আপনার সমস্ত পার্সোনাল ইনফরমেশন সঠিকভাবে ফিলাপ করুন. শেষে পেজের একেবারে নিচে ক্যাপচা ফিল করুন এবং সেভ এ ক্লিক করুন.

যখন আপনি সেভ অপশন এ ক্লিক করবেন আপনার জন্য একটি অ্যাপ্লিকেশন নাম্বার জেনারেট হবে যা আপনি আপনার ভবিষ্যতের ব্যবহারের জন্য কোথাও সেভ করে রাখবেন যাতে আপনি সেটাকে যেকোনো সময় অ্যাক্সেস করতে পারেন. এর সাথে সাথে ফিলাপ করা ফ্রমটাকে প্রিন্ট করে রাখুন আপনার ভবিষ্যতের জন্য.

প্রিন্ট করা ডকুমেন্টটি সাবমিট করুন আপনার প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট এর সাথে এটাচ করে আপনার কাছাকাছি কোন সিএসসি সেন্টার অথবা ব্যাংকে.

আপনি পিএমএওয়াই স্কিম অ্যাপ্লিকেশনটি পূরণ করার আগে নিশ্চিত হয়ে নিন যে আপনি নিজের যোগ্যতা পরীক্ষা করেছেন এবং আপনার নাম উপকারকারীর তালিকায় তালিকাভুক্ত হয়েছে। আপনি লোন প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান আপনার বিপিল শংসাপত্র জমা দিয়ে আপনি যোগ্য কিনা তা পরিমাণ পরীক্ষা করতে পারেন এবং আপনি প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা প্রকল্পের জন্য আবেদন করার যোগ্য কিনা তা তারা আপনাকে অবহিত করবে। বিকল্প ভাবে আপনি অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে গিয়ে অনলাইনে সুবিধাভোগী তালিকা ও পরীক্ষা করতে পারেন. ওয়েবসাইটে প্রাপ্ত উপভোগকারী দের তালিকা পর্যায়ক্রমে আপডেট করা হয় সুতরাং আপনি খুব সহজেই আপনি এলিজিবল কিনা সেটা পরীক্ষা করে নিতে পারেন .নিশ্চিত হয়ে নিন যে আপনি সাম্প্রতিক তালিকাটি পরীক্ষা করেছেন।

এপ্লাই করার আগে নিশ্চিত হয়ে নিন যে আপনার সেভিংস ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ডিটেইলস আছে এবং বার্ষিক ইনকাম সার্টিফিকেট আছে


অ্যাপ্লিকেশন ফর্ম সাবমিট করার পরে কিভাবে ওই ফ্রমটাকে এডিট করা যাবে


প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার অফিসিয়াল ওয়েবসাইট ভিজিট করুন.

এপ্লিকেশন সেভ করার পরে আপনি যে অ্যাপ্লিকেশন নাম্বারটা পেয়েছিলেন সেই নম্বরটি এবং আপনার আধার কার্ডের নম্বরটি প্রদান করুন.

এডিট অপশনে ক্লিক করুন.

এখন আপনি আপনার অ্যাপ্লিকেশন ফর্ম টি এডিট করতে পারবেন যা পূর্বে ফিলাপ করেছিলেন.


প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় অন্তর্ভুক্ত ইন্টারেস্ট রেট সাবসিটি কিভাবে পাওয়া যাবে


ভর্তুকি চেয়ে কোন তালিকাভুক্ত লোন প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান থেকে হোম লোনের জন্য আবেদন করুন।

লোন প্রদানকারী সংস্থা আপনার আবেদনের পর্যালোচনা করবে এবং নিশ্চিত হবেন যে আপনি লোন পাওয়ার যোগ্য কিনা যদি সেটা এপ্রুভ হয়ে যায় তাহলে আপনার আবেদনটি কেন্দ্রীয় নোডাল এজেন্সিতে পাঠানো হবে।

কেন্দ্রীয় নোডাল এজেন্সি দ্বারা আপনার আবেদনপত্রটি যাচাই করা হবে এবং যদি কোন তাৎপর্য না পাওয়া যায়  তাহলে কেন্দ্রীয় নোডাল এজেন্সি লোন প্রদানকারী সংস্থা কে ভর্তুকির পরিমাণ বিতরণ করবে

এই ভর্তুকির পরিমাণ লোন প্রদানকারী সংস্থা আপনার একাউন্টে জমা করবে যা আপনার মোট লোনের পরিমাণকে হ্রাস করবে।


অতঃপর আপনি আপনার বাকি লোনের পরিমাণ EMI দ্বারা প্রদান চালিয়ে যেতে পারবেন।

No comments:

Post a Comment